আমার সাহিত্য বাড়িতে আপনাকে স্বাগতম। পড়ুন এবং সমালোচনামূলক মন্তব্য করুন।

একদিন আমারও আসবে সময়, আসবে জন্মদিন

একদিন আমারও আসবে সময়, আসবে জন্মদিন। মনটা খুব জ্বালায় পোড়ায়, ঘুমাতে গেলেই প্রভাতের চিন্তায় ঘুম হারিয়ে যায় ভাবনায় প্রতিদিন।

জানি একদিন শরীরের বয়স বেড়ে যাবে, মসৃণ সতেজ ত্বক কুঁচকে যাবে; ভেসে উঠবে জীবনের বলিরেখা। দিনেদিনে কুঁজো হয়ে যাবে মেরুদণ্ড। অতঃপর….

একদিন আমারও জন্মদিন আসবে। জন্মদিনে জন্মবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানাবে জানা অজানা অনেক প্রিয়জন। কাছের অনেকেই হয়তো ভুলে যাবে হৃদস্পর্শের পরশ। কেউ কেউ হয়তো তিরস্কার করবে আবার কেউ কেউ হয়তো অপ্রতুল প্রশংসার শুভেচ্ছা বার্তায় ভরে ফেলবে ভাচ্যুয়াল ডায়েরি কিংবা এনালগ।

যখন প্রভাতে রবির রোদেল আলোয় ঘুম ভেঙে যায়, বুঝতে পারি এখনও ঘুম হারিয়ে যায়নি; তখন অবাক দৃষ্টিতে আকাশের দিকে চেয়ে আবিস্কার করি আমার আমি আর … বিস্তারিত পড়ুন

জনতা ও জনপ্রতিনিধি!

জনপ্রতিনিধি হতে গিয়ে যদি আমি নিঃস্ব হই
ক্যামন করে করবো সেবা আসল খুঁজলেই আমি নেই
নিঃশর্তে ভোট চেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরলাম কতোই
কেউ দিলো না প্রতিশ্রুতি আছি আমি আপনার পাশেই…

বুঝতে পেরে নীতি ঠেলে যখন অন্য পথে পা বাড়াই
এবার দেখি মুখেমুখে আদু ভাইয়ের তুলনা নাই
ভোট হলো, হলাম জয়ী; ভুলে গেলাম গণশ্রুতি
কুৎসা যতো আছে ভবে দিচ্ছে বকা যে যার মতোই…

বলুন তো দেখি…
কে ভালো, কে মন্দ; কে আমাকে দিলো রায়?
নীতি বিক্রি না করিলে কাকে-ই-বা সেদিন পাশে পাই!

শ্রী ভবে শ্রী মানুষে আজব মানুষ, আজবেরই সব কারখানা
নিজের পায়ে নিজে কুঠার মারি তবুও বলি অন্যে কানা!

অতঃপর,
নিজ ভালো তো জগৎ ভালো, সত্যের উপর কিছুই নাই
বিচার বুদ্ধি সঙ্গে নিয়ে এসো ভালোর … বিস্তারিত পড়ুন

বরেণ্য ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ

একজন মহান শিক্ষক; স্বপ্ন দেখাতে পারেন হাজারো শিক্ষার্থীর জীবনে। গড়ে উঠার সময়টাতে যিনি সবার সামনে থাকেন আলোর মশাল নিয়ে। মানুষ গড়ার এমনই একজন কারিগর আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। ১৯৩৯ সালের ২৫ জুলাই কলকাতার পার্ক সার্কাসে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। পৈতৃক নিবাস বাগেরহাট জেলার কচুয়া উপজেলার অন্তর্গত কামারগাতি গ্রামে। ছেলেবেলা থেকেই তিনি শিক্ষক হবার স্বপ্ন লালন করতেন।

পাবনা জিলা স্কুল থেকে ১৯৫৫ সালে মাধ্যমিকের পাট চুকিয়ে বাগেরহাটের প্রফুল্লচন্দ্র কলেজে ভর্তি হন। এরপর উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েই তিনি স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর ১৯৬০ সালেই তাঁর শিক্ষকতা জীবনের শুরু হয়। বাবা আযীমউদ্দিন আহমদ ছিলেন … বিস্তারিত পড়ুন

সরকার ও প্রজা

তুই সরকার আর আমি প্রজা
তবু ক্যানো তোর এতো ডর?
সত্য বললেই দ্যাস লেলিয়ে কিংবা তারা আসে ঠেলে
এবার বুঝি যাবেই ধর্
বলতে পারিস কে তোর?

তুই সরকার আর আমি প্রজা
আমিই তোর ক্ষমতার বল
চেয়ার পেলেই যাস যে ভুলে কে আপন কে পর

তুই সরকার আর আমি প্রজা
ভোট এলেই উল্টো তার!
বলতে পারিস এই ক্ষমতার কতো দৌড়?
দিন যেমন রাতে ঘুমায় রাতও তেমন দিনে
ক্ষমতার বাহাদুরি ঠিক তার চেয়ে অনেক কমে

তুই সরকার আর আমি প্রজা
তবু ক্যানো ভাবিস পর পর…
বাঁচলে আমি বাঁচবি তুই মরলে যাবি তেপান্তর

তুই সরকার আর আমি প্রজা
আয় না মিলে সাজাই ঘর
রোদেল আলোয় মুছে যাবে মেঘের যতো অহংকার
সবুজ ঘাসে হাসবে শিশির নতুন সুরে পাখি গাইবে গান
দেশটা মোদের সোনার বাংলা … বিস্তারিত পড়ুন

ভাষা সংগ্রামী ও স্বাধীন বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম স্থপতি বঙ্গবন্ধুর আস্থাভাজন সহকর্মী স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ভাষা সংগ্রামী তাজউদ্দীন আহমদ ২৩ জুলাই ১৯২৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। আজ তাঁর ৯৫তম জন্মজয়ন্তি। বেঁচে থাকলে আজ তাঁর বয়স হতো ৯৫ বছর। কিন্তু তিনি বেঁচে নেই। যেমন বেঁচে নেই বঙ্গবন্ধু, গান্ধী, ইন্দিরা গান্ধী, মার্টিন লুথার কিং। তারা সবাই গুলিবিদ্ধ হয়ে মরেছেন। গুলি ছুড়েছে যে খুনিরা তারা প্রগতির ধারা ও সভ্যতাকেও স্তব্ধ করতে চেয়েছে।

তাজউদ্দীন আহমদ (জুলাই ২৩, ১৯২৫ – নভেম্বর ৩, ১৯৭৫ ) বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও স্বাধীনতা সংগ্রামের জাতীয় চার নেতার অন্যতম নেতা। তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব সাফল্যের সাথে … বিস্তারিত পড়ুন

মৃত্যুর কোনো যন্ত্রণা নেই!

মৃত্যুর কোনো যন্ত্রণা নেই, পৃথিবীর সকল প্রাণীই অনুভূতিহীন! তোমরা হয়তো বলবে ভুল বলছি, বকে গেছি, অন্ধ হয়ে গেছি কিংবা কোনো প্রাণীতে নেই আমি। কিন্তু আমি বলবো তোমরাই ভুল, তোমাদের অনুভূতি নেই। বুকের ভেতর অজানা অন্ধকার, জমাটবাঁধা হৃদয়ে আগুনের বিন্যাস, মৃত্যুকালীন বিস্তর চিৎকার কোনটাই তোমাদের হৃদয়ে একবিন্দু অনুভব নেই।

যখন বেহুশে পরে থাকি তখন তোমরা বলো জ্ঞানহীন, কোনো অনুভূতি নেই আমার। কিন্তু তখনও আমি নিঃশ্বাসের ঘ্রাণে বুঝতে পারি পৃথিবীকে কতোটা ভালোবাসি, ভালোবাসি পরিবার। চোখের পাতা বুঝেও দেখতে পাই ভেসে বেড়ানো প্রেমে মোড়ানো প্রেমিকার রোদেল হাসি।

চোখ বেয়ে যখন জল গড়িয়ে পড়তে দ্যাখো তখন তোমরা বলো স্নায়ু দুর্বলতা। কিন্তু তখনও সুস্থ জীবনের হাসি-কান্না … বিস্তারিত পড়ুন

অন্ধকার আগামী

যখন আমি স্বপ্ন দেখি, স্বপ্নের বর্ণিল বর্ণনা দিই তোমাদের, তখন সেই স্বপ্নটাই ভুল বলে প্রমাণ করো কিংবা যখন কোনো একটি নাটকের কাহিনী লিখে তোমাদের শোনাই, তখন সেটা পঁচা আবর্জনার খ্যাতির দ্বারপ্রান্তে এনে দাও।

আর, যখন তুমি স্বপ্ন দ্যাখো, স্বপ্নের বর্ণনা দাও তখন সেই স্বপ্নটা হয়ে ওঠে উচ্চতর মানুষ সমাজের আইডল। যখন তুমি নাটকের কাহিনী লিখে ভাব প্রকাশ করো তখন সেটা হয়ে ওঠে বাস্তবতা উত্তরণের দিক নিদর্শন।

অতঃপর, সেটা যখন দৃশ্যায়িত হয়, আমি-তুমি-তোমরা সবাই দেখি। স্বপ্ন ও নাটকের কাহিনী সবটাই যেনো আমার দ্যাখা ও লেখা কষ্ঠার্জিত পরিশ্রম। তবুও আমি আবর্জনা! প্রকৃত কথা হলো, প্রতিষ্ঠিত ও দক্ষতার দাপটে নতুনের মৃত্যু– এ যেন অন্ধকার আগামী।

… বিস্তারিত পড়ুন

বলার ছিলো অনেক কিছুই

আমি কি আর বলবো তোদের
বলতে গেলেই দ্যাস থামিয়ে
সামান্য এক সাহেদ নিয়ে যতো লম্ফ-জম্ফ
অযুত সাহেদ রাখিস ঘুমিয়ে

বলার ছিলো অনেক কিছুই
জানিস তো…
সত্যভাষীর কেউ নেই পিছু!!!

তবুও সূর্য উঠে ফের অস্ত যায়
দেখতে গেলে ছোট্ট দ্যাখায়
তাই বলে বলবি তোরা ধরা বড্ড বড় দ্যাখায়?

এসব সবটাই মূর্খের কথা
জ্ঞান না থাকলে চাপায় যথাতথা
পারিস তো করে দ্যাখা
রাতকে দিন, দিনকে রাত সত্য কথা….

বলার ছিলো অনেক কিছুই
তবুও কিচ্ছু বলার নাই রে
পৃথিবীটাই চলছে আজব নাট্যে,
মিথ্যে ধরা-ছোঁয়ার বাইরে

কাহিনীকার লিখে নাটক
পরিচালকে দ্যায় ঘুরিয়ে
তুমি আমি যে যার মতো, শুধুই দেখছি
জানিস তো..
বলতে গেলেই যায় হারিয়ে….

.fb_iframe_widget_fluid_desktop iframe {
width: 100% !important;
}

Share on facebook
Share on … বিস্তারিত পড়ুন

বাঙালি লেখক ও শিক্ষাবিদ অমূল্যকুমার দাশগুপ্ত

বাঙালি লেখক ও শিক্ষাবিদ অমূল্যকুমার দাশগুপ্ত ১৯১১ সালের ১৫ অক্টোবর বরিশাল জেলার নান্দিকাঠি থানার কুলকাঠি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। যদিও হাল আমলের পাঠকের কাছে অমূল্যকুমার দাশগুপ্ত খুব একটা পরিচিত নাম নয়। বাজার চলতি সাহিত্যের ইতিহাসের বইপত্রেও তাঁর প্রবেশাধিকার নেই বললেই চলে। তবে ‘সম্বুদ্ধ’ নামে তাকে অনেকেই চেনে। এ নামেই লেখালেখি করতেন তিনি।

বাংলা সাহিত্যে হাস্যরসের ধারা জাতীয় গ্রন্থে সম্বুদ্ধ ও তাঁর রচনা সম্বন্ধে কিছু বাক্য ব্যয় করা হয়েছে। তিনি মূলত শিশুদের জন্যই লিখতেন। তার জীবিতকালে এবং মৃত্যুর বেশকিছু বছর পরও অনেক শিশুর কাছে ছিলেন প্রিয় লেখক। শিকার কাহিনী লেখায় পারদর্শী এই লেখক ১৯৭৩ সালের ৫ই মার্চ তিনি মৃত্যুৃবরণ করেন।

এই জ্ঞানী … বিস্তারিত পড়ুন

অবয়ব (পর্ব-৩)

অবয়ব - রুদ্র আমিন

সময় ঘনিয়ে আসছে, শুক্রবার দ্যাখা করতে যাবো সুর্পনাদের বাসায়, তাদের বাসার ঐ করিম সাহেব কে জানতেই হবে, সুর্পনা এমন কাজ করতেই পারে না, এমন হতেই পারে না। সুর্পনা ক্যানো আমার সাথে এমন ব্যবহার করবে? হঠাৎ করে হারিয়ে গিয়েছিলো সুর্পনা, কংক্রিটে ঢাকা শহরে এসে নিজেকে সামলিয়ে সবেমাত্র চলতে শুরু করেছি স্বাভাবিক জীবনে, সুর্পনার দেয়া যন্ত্রণাকে প্রায় ভুলেই গিয়েছিলাম ক্যানো তাকে আবার দেখতে পেলাম আর ক্যানইবা তার জীবনে অন্য একজনের স্পর্শ খুঁজে পাচ্ছি। নাহ্‌ আমার ধারণা হয়তো ভুল, সুর্পণা এমন হতেই পারে না।

এসব কথা ভাবতে ভাবতে তানিম নিজেকে পুনরায় আউলা ঝাউলা করে ফেলেছে, খেতে গেলে খেতে পারছে না ঠিক মত, ঘুমাতে গেলে … বিস্তারিত পড়ুন