অন্ধকার আগামী

যখন আমি স্বপ্ন দেখি, স্বপ্নের বর্ণিল বর্ণনা দিই তোমাদের, তখন সেই স্বপ্নটাই ভুল বলে প্রমাণ করো কিংবা যখন কোনো একটি নাটকের কাহিনী লিখে তোমাদের শোনাই, তখন সেটা পঁচা আবর্জনার খ্যাতির দ্বারপ্রান্তে এনে দাও।

আর, যখন তুমি স্বপ্ন দ্যাখো, স্বপ্নের বর্ণনা দাও তখন সেই স্বপ্নটা হয়ে ওঠে উচ্চতর মানুষ সমাজের আইডল। যখন তুমি নাটকের কাহিনী লিখে ভাব প্রকাশ করো তখন সেটা হয়ে ওঠে বাস্তবতা উত্তরণের দিক নিদর্শন।

অতঃপর, সেটা যখন দৃশ্যায়িত হয়, আমি-তুমি-তোমরা সবাই দেখি। স্বপ্ন ও নাটকের কাহিনী সবটাই যেনো আমার দ্যাখা ও লেখা কষ্ঠার্জিত পরিশ্রম। তবুও আমি আবর্জনা! প্রকৃত কথা হলো, প্রতিষ্ঠিত ও দক্ষতার দাপটে নতুনের মৃত্যু– এ যেন অন্ধকার আগামী।

রুদ্র আমিন

মোঃ আমিনুল ইসলাম রুদ্র, জন্ম : ১৪ জানুয়ারি, ১৯৮১। ডাক নাম রুদ্র আমিন (Rudra Amin)। একজন বাংলাদেশ কবি, লেখক ও সাংবাদিক। নক্ষত্র আয়োজিত সৃজনশীল প্রতিযোগিতা-২০১৬ কবিতা বিভাগে তিনি পুরস্কার গ্রহণ করেন। জন্ম ও শিক্ষাজীবন মোঃ আমিনুল ইসলাম রুদ্র ১৯৮১ সালের ১৪ জানুয়ারি মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর উপজেলার ফুলহারা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মোঃ আব্দুল হাই ও মাতা আমেনা বেগম। পরিবারে তিন ভাইয়ের মধ্যে তিনি বড়। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা জীবন কেটেছে খাগড়াছড়ি এবং বগুড়া সদর উপজেলায়। বগুড়ার আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন পাবলিক স্কুল ও কলেজ থেকে এসএসসি ও মানিকগঞ্জের দেবেন্দ্র কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। এরপর তিনি ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি থেকে ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার গ্রাফিক্স ডিজাইন কোর্স সম্পন্ন করেন। কর্মজীবন মূল পেশা থেকে দূরে সরে গিয়ে তিনি লেখালেখি এবং সাংবাদিকতায় জড়িয়ে পড়েন। তিনি প্রায় সব ধরনের গণমাধ্যমে কাজ করেছেন। কাজ করেছেন দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকায়। বর্তমানে তিনি জাতীয় দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন এর ষ্টাফ রিপোর্টার ও অনলাইন নিউজপোর্টাল নববার্তা.কম এর প্রকাশক ও সম্পাদক হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি উইকিপিডিয়াকে ভালোবেসে উইকিপিডিয়ায় অবদানকারী হিসেবে উইকিপিডিয়া অধ্যয়নরত আছেন। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ : যোগসূত্রের যন্ত্রণা (২০১৫); আমি ও আমার কবিতা (২০১৬); বিমূর্ত ভালোবাসা (২০১৮); অধরা- সিরিজ কবিতা (২০২০) প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ : আবিরের লালজামা (২০১৭)। আমার সকল লেখা পড়তে ভিজিট করুন : রুদ্র আমিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *