আপনি দেখছেন "অণুগল্প"

বেলী

সবুজে ঢাকা সুজলা-সুফলা শস্য-শ্যামলা গ্রাম, মরিচাধরা পূর্ণ ও অর্ধপূণ নতুনের জলছাপ ছেয়ে আছে টিনের চাল। টিনের ঘরের পাশেই বেশ বড় বৃক্ষ। পুরাতন বৃক্ষের এতোটাই বয়স যে বৃক্ষের গায়ে শেওলা পড়া দেখে সেই অনুভব করা যাচ্ছে। বৃষ্টির কারণে শেওলা যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছ, যেন তপ্ত মরুর বুকে একাকাশ জল।

প্রসস্থ রাস্তার পাশেই লোহার স্কয়ারবার ব্ক্স দিয়ে তৈরী প্রায় পাঁচ ফুট গেইট। রাস্তা থেকে এটাই বাড়িতে প্রবেশ করার মূল ফটক। তারপর উঠোন, আর উঠোনের একপাশে সবুজ বৃক্ষ, দুর্বা ঘাস। দেখে মনে হবে এ … বিস্তারিত পড়ুন

নাট্যমঞ্চ

কলাম করা একটি চারা গাছ এনেছিলাম। সময়টা শুধুই মনের দাবি। কখন, কোনদিন, কোন বার, কোন সময়ে? আকাশে কালমেঘ যখন স্বচ্ছ আকাশটাকে আধা জ্বলন্ত চুল্লির ধোয়ায় চোখে জল নিয়ে আসে ঠিক তেমনি। চোখের জল ছাড়া কিছুই বলতে পারি না। মনেও পড়ে না। শুধু বেদনার জল, স্মৃতির ছলছলানির কথাই স্মরণ হয়।

মনে মনে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম কলামের চারা থেকে ফল আহরন করবো না। যেদিন পরিপক্কতা পাবে কিংবা যেদিন ফল দিয়ে সে তৃপ্ত হবে সেইদিন নেব। চারা গাছে একদিন মুকুল এলো এর পর ফলের পথে … বিস্তারিত পড়ুন

বাতাসী

আজ থেকে বত্রিশ বর্ষ পূর্বের কথা। বাদামতলীতে বসবাস করতো এক মেয়ে, নাম তার বাতাসী। তাকে অস্বচ্ছলতা খুব যে কুড়ে খেয়েছে সেটাও নয়। গাও গ্রামের মুরুব্বীদের মুখে শুনেছি “ইজ্জ্বত যায় না ধুইলে আর খাছলত যায় না মরলে।” বাতাসী তেমন এক হাওয়াই মিঠাই। মুখে তুলে নিলেই যেন শেষ। কি আজব এ মিঠাই।

বাতাসীর নাম যথার্থই হয়েছে। বাউরা বাতাসের মতো তার সর্বাঙ্গের সাথে মিলেমিশেই পরিপূর্ণ। যে একবার দেখেছে সে এমনটাই যথার্থই বলেছে। বাতাসের স্পর্শ যেমন অনুভবেই পূর্ণ তেমনি বাতাসীকেও যে একবার দেখেছে তার অন্ধ … বিস্তারিত পড়ুন